দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মাগুরার সদর উপজেলায় একটি গরুকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। ‘কালু’ নামের বিশালাকৃতির এই গরুটির ওজন প্রায় ২০ মণ। যার দাম হাঁকা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। গরুটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে খামারে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ আসছেন শুধু দেখতে, আবার কেউ আসছেন কোরবানির জন্য গরুটি কিনতে। ক্রেতা তার বাড়িতে ভীড় জমালেও কাঙ্খিত মূল্য না পাওয়ায় গরুটি এখনো বিক্রি হয়নি। বিশালাকার এই কালোকে বিক্রি করতে না পেরে মানসিক অশান্তি ও চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি ও তার পরিবার।
শুক্রবার (১৫ মে) সদর উপজেলার কছুন্দি ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামের খামারি মমিন মুন্সি সন্তানের মত লালন-পালন করা ‘কালু’ নামের গরুটিকে নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ওই খামারির চিন্তা ভাবনা ততই বেড়ে যাচ্ছে।
খামারি মমিন মুন্সি বলেন, ‘গত ৩ বছর ধরে কালুকে সন্তানের মত লালন-পালন করেছি। কোরবানিকে সামনে রেখে তিনি এই গরুটি বিক্রি করবে। গরুটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন আসছেন দামও দিচ্ছেন। তবে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়নি গরুটি।’

৫ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট লম্বা এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ২০ মণ। গরুটি দেখতে কালো বর্ণের হওয়ার আদর করে ওর নাম দিয়েছেন ‘কালু‘। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি, ভুট্টা, ডালের গুড়া, খড়, চিটাগুড় খাওয়াইয়ে প্রাকৃতিকভাবে গরুটি লালন-পালন করেছি। দেশের বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা বা চট্টগ্রাম বিক্রির জন্য নেওয়ায় সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘৩ বছর ধরে ষাঁড়টি লালন পালন করতে আমার প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ষাঁড়টির পেছনে আমার ৮০০ টাকা খরচ হয়। আমি বর্তমান বাজার মূল্যে গরুটি বিক্রি করবো। বাজারে নেওয়া সম্ভব না, তাই গরুটিকে বাড়িতে রেখেই বিক্রি করতে হবে।’
বাগবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা রাজু আহম্মেদ বলেন, ‘গরুটি অনেক বড়। মমিন মন্সি ও তার পরিবারের লোকজন অনেক কষ্টে গরুটি লালন-পালন করেছেন। তিনি যদি এই গরুটি এখন ভালো দামে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তিনি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।’
কেএম